বগুড়ায় নভেল করেনা ভাইরাস সংক্রামক ঝুকি রোধে সর্ব সাধারনের চলাচল এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনাবাহিনী ও জেলা পুলিশ । গত কাল মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মত পুলিমের বিশেষ অভিযানে প্রায় সাড়ে ৪শত মোটর সাইকেল ও যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।
গতকালে এ অভিযানে œ শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে পুলিশ সদস্যরাও রয়েছেন। অযথা ঘোড়াঘুরির কারনে অভিনব সাজা দেয়া হয়েছে প্রায় অর্ধশত পথচারীকে
গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই শহরের প্রানকেন্দ্র সাতমাথায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সনাতন চক্রবর্তী ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি সার্বিক ) এসএম বদিউজ্জামান এর নের্তৃতে অভিযান শুরু করে সদর পুলিশ। এসময় আরো ছিলেন ইন্সপেক্টর (তদন্ত)রেজাউল করিম রেজা সদর ফাঁড়ী ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ বগুড়া গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) ইন্সপেক্টর আসলাম আলী । এদিকে একই সময়ে অন্যন্যা দিনের চেয়ে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর অতিরিক্ত একটি বিশেষ ইউনিট সেখানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
পুলিশের অভিযান কালে সেখানে উপস্থিত হন বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞাঁ বিপিএম (বার) ।এসময় তার সাথে ছিলেন বগুড়া বিশেষ শাখার এসপি আব্দুল জলিল। অভিযানে সেখানে পুলিশ সদস্যরা বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেল ও একটি প্রাইভেট কার আটক করেন। এসময় ওই প্রাইভেটকারের উইনস্ক্রিনে 'জরুরি ত্রাণ কাজে নিয়োজিত' লেখা স্টিকার থাকলে গাড়ির মধ্যে ছিল না কোনো ত্রাণ সামগ্রী। পরে ওই গাড়িতে মামলা দেয়া হয়। পুলিশ সুপারের নির্দেশে একই সময়ে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর অভিযোগে পুলিশের তিনজন সদস্যের নামে সড়ক নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন ট্রাফিক বিভাগের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) সালেক উদ্দিন । এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ট্রাপিক ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম ।
বগুড়া সদর ট্রাফিক পুলিশের একটি দায়িত্বশীল জানায় গত ৩ দিনের বিশেষ অভিযানে ৪২৫টি যানবাহন ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা রজু করা হয়েছে।এর মধ্য গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের ৩সদস্য সহ মোট ১১০ টি মামলা করা হয় ।