করোনা ভাইরাস ঝুঁিক মোকাবিলায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকাল ৪টা থেকে শেরপুর উপজেলা সহ বগুড়া জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। দুপুরে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে লকডাউন ঘোষণা করেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মাদ।
এতে বলা হয়েছে, এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সিভিল সার্জন বগুড়ার সুপারিশের আলোকে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঝুঁিক মোকাবিলায় বগুড়া জেলাকে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত অবরুদ্ধ (লকডাউন) ঘোষণা করা হলো।
উক্ত সময়ে এ জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিষিদ্ধ করা হলো।অবরুদ্ধকালীন জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথে অন্য কোন জেলা বা উপজেলা হতে কেউ এ জেলায় প্রবেশ করতে কিংবা অন্য জেলায় গমন করতে পারবে না। জেলার অভ্যন্তরে আন্ত :জেলা যাতায়াতের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
সকল ধরনের গণপরিবহন, জনসমাগম বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী পরিসেবা, চিকিসৎসা সেবা, কৃষি পণ্য সংগ্রহ, খাদ্যসরবরাহ ও সংগ্রহ, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস,টেলিফোন, ইন্টারনেট, ব্যাংকিংসেবা ওষুধ শিল্প সংগস্লিষ্ট যানবাহন কর্মী এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে ঘোষিথ জরুরী পরিসেবা এর আওতা বর্হিভুত থাকবে।
উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে জেলায় দুইজন করোনী রোগী সনাক্ত হয়েছে। সোমবার থেকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে করোনা সনাক্তে পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার জেলার আদমদিঘী উপজেলার সান্তাহারের এক ট্রাক চালকের দেহে করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। এর আগে ১৬ এপ্রিল জেলায় প্রথম এক পুলিশ কনষ্টেবলের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তারা বর্তমানে বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে জানিয়েছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন। এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার ভূমি মো. জামশেদ আলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের এই কার্যক্রম বিকাল ৪ টা থেকে শুরু হবে। তাই সবাই কে ঘরে থাকার নির্দেশ দেয় এই কর্মকর্তা।
এব্যাপারে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ বলেন, আজ থেকে কোন জেলার মানুষ এই জেলায় প্রবেশ করতে পারবে না। আবার এই জেলার মানুষ অন্য কোন জেলাই জেতে পারবে। লকডাউন জারা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।