দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমনে আক্রান্তের এবং মৃত্যুর সংখ্যা যত বাড়ছে, ততোই যেন বাড়ছে মানুষের অবহেলা। বিশেষ করে মফস্বল এলাকায় অবহেলার মাত্রা বেশী। বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌর শহর এবং মুরইল, নসরতপুর, চাঁপাপুর ও কুন্দুগ্রাম সহ অন্তত একডজন বন্দর-বাজার এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অর্থাৎ আইন-শৃংখলা বাহিনী এবং প্রশাসন তৎপরতা শুরু করার আগ মুহুর্তে গমগমে অবস্থা। বাস ছাড়া সব ছোট গণ-পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক। সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বাহিরেও প্রচুর প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে। ভীড় হয় উপচে পড়া। সামাজিক দুরত্ব মানার কোন বালাই নেই। যে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে তা অনেকটা ঈদের দিনের মত। এমন অবস্থাকে অনেকে মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন সতর্কতা না বলে বিরোধী দলের ডাকা লাগাতার অর্ধ দিবস হরতাল বলে অবিহিত করছেন। প্রশাসনের মানবিক আচরণ করার এই সুযোগে ছোট গণ-পরিবহনে চাঁদাবাজীও চলছে স্বাভাবিক ভাবে। এদিকে সরকারি-বেসরকারি সহায়তা পাওয়ার বাহিরের সব শ্রেণির মানুষের নৈমিত্যিক কাঁচা বাজার এবং মুদি আইটেম কেনা-বেচার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি করার পরিবর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসন মানবিক দৃষ্টি কোন দেখিয়ে চলছেন। তাঁদের ঢিলেঢালা ভাব দেখানো কে মহাসুযোগ হিসাবে কাজে লাগাচ্ছেন অসচেতন মানুষ। ফলে এসব শহর, বন্দর ও হাট-বাজারে জনশ্রোত কমছে না। বরং বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকিপুর্ণ সম্ভাবনা।