করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে শহরে সন্ধ্যা ৬টার পর নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও সদর থানার পাশেই বিয়ে সম্পন্ন হলো প্রেমিক-পেমির্কার ।
বুধবার মধ্যরাতে বগুড়া শহরের সদর থানা সংলগ্ন আকবরিয়া হোটেলের পেছনে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এর আগে বুধবার সকাল থেকে বিয়ের দাবিতে কনে শহরের নাটাইপাড়ায় তার প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করে।
জানা গেছে, বগুড়া শহরের সেউজগাড়ির এক মেয়ের সঙ্গে নাটাইপাড়া এলাকার রিয়াদ নামের এক যুবকের ফেসবুকে পরিচয় হয়। চাকরির সুবাদে মেয়েটি ঢাকায় থাকতো। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ঢাকার শেওড়াপাড়া এলাকায় তারা বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী- স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করে আসছিল। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার কতৃক সারাদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে তারা বগুড়ায় চলে আসে। এরপর রিয়াদ তার প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এক পর্যায়ে নিরুপায় হয়ে বুধবার সকালে মেয়েটি তার শহরের নাটাইপাড়া এলাকায় প্রেমিক রিয়াদের বাসায় গিয়ে অনশন শুরু করে। খবর পেয়ে স্থানীয় ফাঁড়ী পুলিশ প্রেমিক-প্রেমিকাকে থানায় নিয়ে আসে। সন্ধ্যার পর থেকে থানায় চলে দুই পক্ষের দেনদরবার। একপর্যায় মেয়েপক্ষ থানায় মামলা করতে চাইলে ছেলেপক্ষ বিয়ে করতে রাজি হয়।
পরে উভয় পক্ষের অভিভাবকরা ছেলে এবং মেয়েকে জিম্মায় নিয়ে থানা থেকে বের হয়। এর পর্য়ায়ে রাত ১২টার দিকে থানা সংলগ্ন আকবরিয়া হোটেলের পেছনে কাজী ও মৌলভি ডেকে এনে তাদের বিয়ে সম্পন্য হয়। বিয়েতে ২লক্ষ টাকা মোহরানা নির্ধারণ করেন কাজী । প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান এ বিয়েতে সদর থানার বেশ কয়েকজন পুলিশ উপস্থিত ছিলেন ।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি সার্বিক) এসএম বদিউজ্জামান জানান তিনি জানেননা তাদের বিয়ে হয়েছে কিনা ।