বগুড়ায় ভোরের আঁধারে ছ’মিলে কাজ করার সময় ব্লেডে কেটে আলম (৩৮) নামের এক মিস্ত্রীর করুন মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ভোরে ধরমপুর এলাকায়।
নিহত আলম শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর এলাকার মজিবর রহমানের পুত্র।
জানা গেছে, করোনা ভাইরাস সংক্রামক ঠেকাতে দেশব্যাপী সরকারী ছুটি ঘোষনার আওতায় সকল ব্যবসা ও মিল কলকারখানা বন্ধ ঘোষনার পর বগুড়া শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভোর রাতের কয়েক ঘন্টা গোপনে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল।
তারই অংশ হিসাবে শহরের ধরমপুর এলাকার একটি ছ’মিল কারখানায় ভোর রাতে কাজ করছিল ক’জন শ্রমিক। নিহত আলম তাদের একজন।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে এলাকার বুলু মিয়ার ওই ছ’মিলে কাজ করার একপর্যায়ে কাঠ কাটার সময় অসাবধানতাবস্বত মিলের কাটিং ব্লেড(করাত)এর উপর পড়ে যান আলম। এতে করে তার মাথা ও মুখের বেশ কিছু অংশ সহ একটি হাত কেঁটে পড়ে যায়।
পরে তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকায় নিয়ে যাবার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ফুলবাড়ী এলাকার পুলিশ ফাঁড়ী ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিঃশ্চিত করে জানান,নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে তা আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।