বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন ষ্টেশনের করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বিপাকে পড়া শতাধিক ছিন্নমূল অসহায় মানুষ পাশে সাহায্য ও সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এসএসসি ৯১ ইং ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। সান্তাহার জংশন ষ্টেশন চত্বরে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০ টায় ষ্টেশন মাষ্টার রেজাউল করিম ডালিম ও রাজার হাতে শতাধিত ছিন্নমূল মানুষের একদিনের চাল, ডাল, তেল, কাঁচা সবজি, মসলা, মাছ, মুরগীসহ যাবতীয় খাবার তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসএসসি ৯১ ব্যাচের এস,এম আখতারুজ্জামান মিঠু, মাসরেফুর রায়হান মাহিন, ফেরদৌস হাসান সুমন, সাইফুর রহমান দোলা, রেন্টু, রতন বসাক, জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, আবু সায়েম, মুক্তা, ভিসি মালা প্রমুখ।
জানা গেছে, গত ২৪ মার্চ থেকে সারা দেশের ন্যায় সান্তাহার জংশন শহরের অলিখিত লকডাউন শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন, বাসসহ সকল প্রকার দোকানপাট ফলে জনশূণ্য হয়ে পড়ে রেলওয়ে স্টেশন এলাকা। ফলে স্টেশন থাকা ছিন্নমূল মানুষরা মহা বিপদে পড়েন যায়। এ ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকায় ছুটাছুটি করেও যে খাবার সংগ্রহ করবে তারও উপায় নেই। ঠিক তখনই সান্তাহার জংশন ষ্টেশন মাষ্টার রেজাউল করিম ডালিমের সার্বিক সহযোগীতায় ও তার আহবানে স্থানীয় এক রেল কর্মচারীর ছেলে আজিজুল হক রাজার উদ্যোগে এইসব ছিন্নমুল ভাসমান মানুষদের ৩ বেলা খাবার খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। পরে এই খবর দেশের বিভিন্ন পত্রিকায়, অনলাইন ও স্যোসাল মিডিয়াতে প্রচার হলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। তারপর থেকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান সাহায্য অবহ্যত রেখেছেন।
এস.এস.সি ৯১ ব্যাচের এস,এম আখতারুজ্জামান মিঠু বলেন, ষ্টেশন মাষ্টার ডািলম ও রাজা কে তাদের এই মহৎ উদ্যোগ আমাদের ৯১ ব্যাচের পক্ষ থেকে স্বাগত জানাই। ভবিষ্যতে আমাদের সাহায্য ও সহযোগীতা অব্যহত থাকবে। এ ব্যাপারে ষ্টেশন মাষ্টার রেজাউল করিম ডালিম বলেন, যত দিন পযর্ন্ত না দেশের অবস্থা স্বাভাবিক হবে তত দিন পযর্ন্ত এইসব ছিন্নমূল মানুষের ৩ বেলা খাওয়া অব্যহত রাখা হবে। সেইজন তিনি সংকটময় এই সময়ে সমাজের সকল বিত্তবানরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন এমনটিই তিনি আশা করছেন।