বগুড়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রামক থেকে জনজনকে রক্ষায় সেনা বাহিনীর পুলিশের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে খুঁচরা কাঁচা বাজার বসানো হয়েছে । পূর্ব ঘোষিত ঘোষোনা সোমবার সকাল থেকেই শহরের এই নব প্রতিষ্ঠিত বাজারে বিপুল সংখ্যক নারী পুরুষ তাদের নিত্য প্রয়োজনিয় কেনা কাটা করতে আসেন।
সার্বিক সেনাবাহিনীর তত্বাবধান ও নজরদারীতে স্থানীয় সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় ও তাদের করে দেয়া অস্থায়ী নিদিষ্ঠ কাঠামো অবস্থানের মধ্য এবং সামাজিক দুরত্বের প্রতি খোয়াল রেখে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কাঁচা বাজার ,শাক শবজি ,মাছ মাংশ,চাল আটা, ভোজ্য তেল সহ নিত্য প্রয়োজনিয় জিনিষ পত্রের পশরা নিয়ে বসেন। মাঠের পূর্ব দক্ষিন ঘেসে বসানো মাচের বাজারে দাম মোটা মুটি ক্রয় ক্ষমতার মধ্য হলেও ইলিশের বাজার মূল্য ছিল বরাবরই চড়া । সেখানে এক কেজি মাঝারী সিং মাছ ৪টা দরে বিক্রি করা হলেও মাচের রাজা ইলিশ এর মোটা মুটি বড় সাইজ দাম হাকা হয়েছে ৯শত টাকা ।
সোমবার দুপুরে সেখানে দেখা গেছে মাঠ জুড়ে প্রায় দেড় শতাধিক কাঁচা বাজারী ও মাঠের বিভিন্ন কোনায় মাছ এবং মাংমের দোকান বসানো হয়েছে। মাঠের মাঝ বরাবর আলু পটল বিভিন্ন ধরনরে সবজি কলা তরমুজ পেয়ারার দেকান রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে এ বাজারে পরিধি আরো বিস্তৃত এবং ক্রেতা সাধারনের উপস্থিতি আরো বাড়বে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মূলত্ব করোনা ভাইরাস থেকে সংক্রামক হওয়া থেকে জনগনকে রক্ষায় ও সামাজিত দূরত্ব বজায় রাখতেই গত শনিবার স্থানীয় প্রশাসন সেনা পুলিশ ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের এক সমন্বয় সিদ্ধান্তে বগুড়ার জেলা প্রশাসক মুহাঃ ফযেজ আহম্মেদ এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় শহরের আদি পুরাতন এবং সর্ব বৃহত বাজার ’রাজা বাজার’ ও ফতেহহালী বাজার”এর খুচরা এবং কাঁচা পন্য বাজার শহরের আবাসিক এলাকা হিসাবে পরিচিত আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রশ
প্রশাসনের ঘোষনায় এ সময় আরো উল্লেখ করা হয় যে, উল্লেখিত বাজার ও এর আশ পাশের রাস্তা ফুটপাট দখল করে বসানা দোকান ও ভাসমান অবস্থার যে কোন পন্য দোকান গুলি এই নতুন বাজারে বসানো যাবে।
প্রথম দিনে আয়োজকদের ক্রুটি বিচ্যুতির মধ্য নতুন এই স্থানে স্থাপিত বাজারে প্রথম প্রহরে নারী পুরুষ ক্রেতাদের ভীড় কিছুটা বেশী ছিল। বাজারটির একই স্থানে বিভিন্ন জাতের মৌসুমী ফল ষ্টেশনারী সামগ্রী বেচা কেনা করতে দেখা গেছে।