করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সব ধরনের দোকানপাট (কিছু ব্যতিক্রম ব্যতীত) পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র সার, বীজ, কীটনাশক, কাঁচা বাজার, মুদি দোকান সকাল ৬ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বিকেল ৫টার পর ঔষধের দোকান ও ডাক্তারের চেম্বার ব্যতীত কোনো দোকান কোনো অবস্থাতেই খোলা রাখা যাবে না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে মর্মে গত ৬ এপ্রিল করোনা ভাইরাস সংক্রমন ও সার্বিক প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও বগুড়ার সান্তাহারে চিত্র ভিন্ন। সকাল থেকেই সান্তাহার পৌর শহর এলাকায় বেশ কিছু দোকান পাট খোলা থাকতে দেখা গেছে। তবে বিকেল ৫টার পর থেকে ওষুধের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকতে দেখা যায়। সন্ধ্যার পর থেকে মনে হয় ভূতুড়ে অবস্থা বিরাজ করছে। বিকেলে এই অবস্থা সৃষ্টির পেছনে সান্তাহার শহর পুলিশ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
তবে সান্তাহার রাধাকান্ত হাট ও হেলালিয়া হাট বসছে। এই সমস্ত হাট-বাজারে সরকারের নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। সার, বীজ, কীটনাশক, কাঁচা বাজার, মুদি দোকান ছাড়াও সব ধরনের দোকান পাট খোলা হচ্ছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমান ফোর্সসহ পৌর শহরের বিভিন্ন জায়গায় হ্যান্ড মাইকে করোনার ভয়াবহতায় সরকারের নির্দেশনা মানতে জনসাধারণকে অনুরোধ করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেন এবং শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করেন।
এ ব্যাপারে সান্তাহার ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, দেশের এই দূর্যোগময় মুহূর্তে সকলকে সরকারে নির্দেশ মেনে চলা উচিৎ। মানুষকে ঘর থেকে বের না হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনের যানবাহন ছাড়া সব ধরনের যানবাহন প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হাট-বাজারে গিয়ে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। এর পরও কেউ যদি সরকারের নির্দেশ অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।