রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের নুরনগর সরকারপাড়া গ্রামের মন্টু সরকার ফড়িং এর বাড়ি। এই বাড়িতে ১৫-১৬ বছর যাবত ভাড়া থাকে এক সার্কাস শিল্পী (৬০)। এই সার্কাস শিল্পী মৌসুম ভিক্তিক বিভিন্ন এলাকায় সার্কাস দেয়ায়। অন্য সময়ে দিনমুজুরের কাজ করেন। সপ্তাহ খানেক আগে ফরিদপুর এলাকায় দিনমুজুরের কাজে যায়। সেখানে গিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রন্তে সন্দেহ করা হয়। তারপর ফরিদপুর থেকে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এই বাড়িতে এসে তার গায়ে জ্বর দেখা দেয়, পাশাপাশি সর্দি ও কাশি রয়েছে। স্থানীয়রা ধারন করছেন তার করোনা হতে পারে। তারপর থেকে বাড়ির লোকজনসহ স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু কেউ এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে স্থানীয়রা আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তবে সার্কসা শিল্পীর কোন পরিবার পরিজন নেই। তিনি ভাড়াটে বাড়ির লোকজননের সাথে বসবাস করে।
তার বাড়ির পাশের বাড়ি হাবু হোসেন বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আমরা গ্রামবাসি আতংকের মধ্যে আছি। বিভিন্নস্থানে জানানোর পরও এখন পর্যন্ত কেউ ব্যবস্থা নেয়নি।
আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর ও ওই এলাকার কালাম মন্ডল বলেন, আমি বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অবগত করেছি।
আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি ঘটনাটি জানার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। এ ছাড়া শনিবার ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নিব। আমি মেম্বরের মাধ্যমে সে বাড়ি থেকে যেন না বের হয় তা জানিয়ে দিয়েছি। তবে বেশি অসুস্থ হলে ডাক্তার মেডিকেলে নেয়ার পরামর্শ দেয়া দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, বিষয়টি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে শুনেছি।