বগুড়ায় অটোরিক্সা চালক পিয়াল(২৬ হত্যা রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জরিত থাকার অপরাধে নিহতের ২বন্ধু সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার বিকালে বগুড়া সদর থানা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান।
নিহত পিয়াল নিশিন্দারা মধ্যপাড়া এলাকার খোকা মিয়ার ছেলে।
পিয়ালকে অটো ভাড়া ও মাদক সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে এলাকার একটি কবরস্থানে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর কবরস্থানইে তাকে হত্যা করে লাশ একটি পুরাতন কবরের মধ্য ফেলে দিয়ে অটো রিক্সাটি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বগুড়া সদরের ছোট কুিমড়া গ্রামের মৃত জমির উদ্দিনেরে ছেলে আবদুল হান্নান (৩২), একই গ্রামের দুলু খানরে ছেলে রাশেদ (৪০) এবং দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামরে আলমগীর হোসেনের ছেলে নুরুন্নবী ওরফে মুন্না (২৫)।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রাশেদ ও হান্নান তাদের প্রথমিক স্বীকারোক্তিমূলক জবান বন্দিতে পুলিশের কাছে জানায়, পূর্ব পরিকল্পনামত গত ২১ র্মাচ সন্ধ্যার পর মাদক সেবনের কথা বলে তারা পিয়ালকে অটো রিক্সা সহ শহরতলীর ছোট কুমিড়া গ্রামে একটি বিপিএড কলেজের পেছনে বাশঁবাগানের মধ্য নিয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তারা ৩জন মিলে এক সাথে মাদক সেবন করা কালে পিয়ালের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করে। এরপর তার লাশটি পাশের একটি কবর স্থানের মধ্য একটি পুরাতন কবরের মধ্য ফেলে দেয় এবং তার অটো রিক্সা নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই অটো রিক্সাটি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নিয়ে গিয়ে নূরুন্নবী মুন্নার কাছে বিক্রি করে আসে।
উল্লেখ্য গত ২১ র্মাচ পিয়াল নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা বগুড়া সদর থানায় একটি জিডি করে। এদিকে গত ২৮ র্মাচ শনিবার বিাকলে পুলিশ ছোট কুমিড়া গ্রামের কবরস্থানে একটি পুরাতন কবর থেকে নিহত পিয়ালের গলিত লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতরে বাবা মহিদুল ইসলাম ২৮ র্মাচ রাতে বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রথমে হান্নান ও রাশেদকে আটক করে।
বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রেজাউল করিম রেজা সংবাদ সংস্থা এফএনএসকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান ,রাশেদ ও হান্নানের প্রাথমিক স্বীকারোক্তি মূলক তথ্য পেয়ে বগুড়া সদর থানা পুলিশের একটি দল দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট এলাকা থেকে মুন্নাকে গ্রফেতার করা করে। তিনি জানান ছিনতাই করা অটো রিক্সাটি এখনও উদ্ধার করা যায়নি।