বগুড়ার শেরপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নেয়া পদক্ষেপের ফলে ফাঁকা হয়ে গেছে রাস্তাঘাট। বন্ধ হয়ে গেছে দোকানপাঠ, হোটেল-রে¯েঁÍারা ও অফিস আদালত। ওষুধের দোকান আর কাঁচাবাজার সীমিতভাবে খোলা থাকলেও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না।
সরোজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে শহরের ধুনুটমোড়, বাসষ্ট্যান্ড, কলেজরোড, বাস টার্মিনাল, শেরুয়া বটতলাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, ফাঁকা রাস্তাঘাটে লোকজনের ভীড় নেই। রিকশা, অটোরিকশা ও ভ্যানের সংখ্যাও নগন্য। তাও যাত্রীর অভাবে অলস বসে আছে এসব যানবাহন।
আয় কমে যাওয়ায় এবং ঘরবন্দি হয়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। দিনমজুর, শ্রমিকদের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ হবার পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর অধিকাংশ বন্ধ হয়ে গেছে। দু-একটি ক্লিনিকে জরুরি বিভাগ চালু রয়েছে। ৩১ শয্যার শেরপুর উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স অন্তবিভাগ ও বহিবিভাগে রোগীর সংখ্যা একেবারে কমে গেছে। হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা: সাজিদ হাসান লিংকন জানান, চিকিৎসক ও নার্সদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে সুচিকিৎসা দেয়ার জন্য। তবে গুরুতর অসুস্থ ছাড়া কাউকে অন্তর্বিভাগে ভর্তি করা হচ্ছে না।
শেরপুর উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সে’র ও প: প: কর্মকর্তা আবদুল কাদের জানান, ৫ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শেরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সেকেন্দার রবিউল ইসলাম বলেন, করোন ভাইরাসের বিশেষ বরাদ্ধ বগুড়া জেলায় ৩১৮ মে:ট তবে আমাদের শেরপুর উপজেলায় এখোনো নির্ধারণ হয়নি কতটুকু বরাদ্ধ হবে এবং কোন দিন থেকে বরাদ্ধকৃত চাল বিতরণ করা হবে তা এখনও জানাযায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নেয়া পদক্ষেপে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ ছাড়া ডাক্তার ও নার্সদের জন্য পিপিই দেওয়া হয়েছে। উপজেলা জুড়ে আমরা হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাক্স ও লিফলেট বিতরন করেছি। জনগনের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপজেলা প্রশাসন প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।