দলকে কীভাবে সামলাতে হয়, সামনে এগিয়ে নিতে হয়, সতীর্থদের উদ্দীপ্ত করতে হয়, মাশরাফি বিন মুর্তজা যেন একটা পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ। অধিনায়কত্বের একটা উদাহরণ তিনি তৈরি করে দিয়েছেন বলে মনে করেন মাহমুদউল্লাহ। নিজের চিন্তাধারা দিয়ে তিনিও একইভাবে এগিয়ে নিতে চান দলকে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশের হয়ে মাশরাফির নেতৃত্বের দীর্ঘ পথচলা। সতীর্থদের কাছে মাশরাফি ছিলেন যেন সব সমস্যার সমাধান। সেটা ক্রিকেটীয় হোক কিংবা ব্যক্তিগত। অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে তুলে নিয়েছেন কিংবদন্তির উচ্চতায়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগের দিন মাহমুদউল্লাহ জানালেন, অধিনায়ক মাশরাফির কোন দিকটি তাকে ছুঁয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। “মাশরাফি ভাইয়ের সবচেয়ে ভালো গুণ যেটা ছিল, ওঁর মধ্যে একটা ক্যারিশমাটিক পাওয়ার ছিল। কারণ যখনই আমরা একটু নার্ভাস থাকতাম, একটু চিন্তা করতাম বেশি, তখন উনি আমাদের ঠাণ্ডা করে বুঝাতেন বা বলতে কীভাবে কি করলে এগোনো যায়, বা কোন জিনিসটা করলে নির্দিষ্ট কারও জন্য ভালো হবে। ওই গুণ ছিল মাশরাফি ভাইয়ের। আশা করি আমিও চেষ্টা করব আমার চিন্তাধারা দিয়ে কীভাবে দলকে সাহায্য করা যায় এবং এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।” মাশরাফির নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে। অসাধারণ নেতৃত্বের পাশাপাশি তিনি দলের অন্যতম সফল বোলারও। পরের সব অধিনায়কের জন্য বেঁধে দিয়েছেন উঁচু মানদণ্ড। দেশের সফলতম অধিনায়ক দলকে যেখানে নিয়ে গেছেন, সেখান থেকে সামনে এগিয়ে নেওয়াটা নতুন অধিনায়কের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করেন মাহমুদউল্লাহ। “মাশরাফি ভাই দলটা যেভাবে সামলেছেন, দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তার পরও আমি একটা জিনিস বলতে চাই, যে-ই অধিনায়ক হোক, আমার মনে হয় তার জন্য এটা একটা চ্যালেঞ্জ হবে। কারণ যদি আমরা সামনের দিকে এগোতে চাই আর ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই, এর কোনো বিকল্প নেই, চ্যালেঞ্জ নিতেই হবে এবং ওই অনুযায়ী কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় যে মাশরাফি ভাই খুব ভালো উদাহরণ তৈরি করে দিয়ে গেছেন।”