টি-টোয়েন্টিতে একজন ব্যাটসম্যানকে কতটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে খেলতে হয় খুব ভালো করেই জানেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক তাই সুস্থির একটা ব্যাটিং অর্ডার চান, যেখানে একজন ব্যাটসম্যান আগে থেকেই জানবেন তার ভূমিকা। একই সঙ্গে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটারকে দিতে চান নিজেকে প্রমাণের যথেষ্ট সুযোগ। ব্যাটিং অর্ডারে হুটহাট পরিবর্তন আনা বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিয়মিত চিত্রর একটি। তামিম ইকবাল ছাড়া দেশের সব ব্যাটসম্যানেরই বিভিন্ন পজিশনে ব্যাট করতে হয়। খুব কম ব্যাটসম্যানেরই স্থির একটি ব্যাটিং পজিশন আছে। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আস্থার একটি জায়গা তৈরি করতে সুস্থির একটি ব্যাটিং অর্ডার থাকা খুব জরুরি মনে করছেন মাহমুদউল্লাহ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে অধিনায়ক জানালেন, নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ দিতে সবাইকে আগে থেকেই জানিয়ে রাখতে চান তার ভূমিকা। “ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টর সঙ্গে কথা বলতে হবে। কিন্তু আমি একটা জিনিস নিশ্চিত করতে চাই, যে যেখানে ব্যাটিং করুক সে সুস্থির একটা ব্যাটিং অর্ডার পাবে যেন খোলা মন নিয়ে পারফরম করতে পারে।” টি-টোয়েন্টিতে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের প্রায়ই চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়। প্রথম বল থেকেই বোলারদের ওপর চড়াও হওয়ার দাবি থাকে অনেক সময়। এমন পরিস্থিতিতে বড় শট খেলার চেষ্টায় ‘গোল্ডেন ডাক’ পাওয়া বিরল নয়। মাহমুদউল্লাহ জানান, স্রফে পরিসংখ্যান না দেখে ম্যাচের পরিস্থিতি দেখে একজনের পারফরম্যান্স বিবেচনা করবেন তারা। “আমি মনে করি, বিশ্বাসটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূণ্র্। যে যেখানেই ব্যাটিং করুক সেটা তিন হোক, চার হোক, পাঁচ হোক, ছয় হোক বা সাত হোক তারা যেন তাদের নির্দিষ্ট ভূমিকা অনুযায়ী ওইভাবে চিন্তা করতে পারে এবং ওইভাবে ব্যাটিং করতে পারে। আমি এই জিনিসটা খুব বিশ্বাস করি যে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজের ভূমিকা সম্পর্কে জানা থাকলে কাজ অনেকটা সহজ হয়।” “সাত নম্বরে বা ছয় নম্বরে ব্যাটিং করলে কম সময় পাওয়া যায়। তো বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ছয়-সাতে ব্যাটিং করাটা কঠিন। টপ অর্ডারে কিছুটা সময় পেতে পারেন কিন্তু পাঁচ-ছয়-সাতে সময় কম পাওয়া যায়। তো এই জিনিসগুলো বিবেচনা করা হবে, আমার মনে হয় টিম ম্যানেজমেন্টও সাপোর্ট করবে।”