দীর্ঘ ১৭ মাস পর ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন লিটন দাস। আজ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিন ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।
এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই নিজ মাঠে ২০১৮ সালে ওপেনার হিসেবে সেঞ্চুরি পেয়েছিল বাংলাদেশ দল। সে সময় টাইগার দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস তিন ম্যাচের সিরিজে তিনি দুটি সেঞ্চুরি হাকানোর পাশাপাশি এক ম্যাচে করেছিলেন ৯০ রান।
এরপরই ওয়ানডে ম্যাচে ছন্দ হারায় টাইগারদের ওপেনিং। অবশ্য এই মৌসুমে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় করেছে বাংলাদেশ। এ সময় অবশ্য ওপেনিং থেকে খুব একটা সুবিধা পায়নি টাইগাররা। যদিও দলের দুই ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছে। সৌম্য সরকার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং সাব্বির রহমান নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে তাদের কেউই ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছিলেন না।
তামিম ইকবালকে দেশ সেরা ওপেনার হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে ফর্মে নেই তিনি। যা দর্শকদের হাতাশায় ফেলেছে। তিনি এ সময় হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও পাননি সেঞ্চুরির দেখা। যদিও ব্যর্থতার গন্ডি থেকে বেরিয়ে আসতে প্রানপন চেস্টা করছেন তামিম। আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেও দলের হয়ে তিনি মাঠে নেমেছেন। কিন্তু আগের তুলনায় ধীর স্থির ব্যাটিং করার পরও কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেননি। আজ ৪৩ বলে ২৪ রান করেই বিদায় নিতে হয়েছে তামিমকে।
তবে লিটন আজ সাবলীল ব্যাট চালিয়ে দলের পক্ষে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন। জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ের সামনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি হাকান তিনি। মাত্র ৯৫ বলের মোকাবেলায় ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির মালিক হন লিটন দাস। ডোনাল্ড তিরিপানোর বল বাউন্ডারী পার করে সেঞ্চুরি হাকানোর পরও থেমে থাকেনি লিটনের ব্যাটিং আগ্রাসন। তিরিপানোর বাউন্সারের বল হ্যালমেটে লেগে আহত হবার পরও তার ব্যাটিং ছিল অবিচল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ে আহত অবসর নেন লিটন দাস। মাঠ ছাড়ার আগে মাত্র ১০৫ বলের মোকাবেলায় ১৩টি চার ও দুটি ছক্কা হাকিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ১২৬ রান সংগ্রহ করেন তিনি।