মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় সেশনেও সাকিব আল হাসানের উপস্থিতি ছিল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে! শারীরিক উপস্থিতি ঠিক নয়, একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পণ্যদূত হওয়ায় বাঁ হাতি অলরাউন্ডারের ছবি শোভা পাচ্ছিল মাঠের চারদিকে বসানো অসংখ্য ছাতায়। গতকাল বিকেল ৪টার দিকে হঠাৎ খুলে নেওয়া হলো সাকিবের ছবিসংবলিত সব ছাতা। মাঠের চারপাশে বাকি সব স্পনসরের ছাতা থাকলেও হঠাৎ এ ছাতাগুলো তুলে নেওয়ার কারণ কী? ছাতা খুলে নেওয়ার দায়িত্বে থাকা এক কর্মী জানালেন, সাকিবের ছবি থাকার কারণে খুলে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের। ছাতা খুলে নেওয়া হলেও সাকিব যে প্রতিষ্ঠানের দূতিয়ালি করছেন, সেটির একাধিক বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং স্টেডিয়ামের চার দিকে আছে। সমস্যাটা সাকিবের ছবিতেই। বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বললেন, ‘সাকিবের ছবি থাকা এক কারণ হতে পারে। ভেন্যুতে কিছু বিধি-নিষেধ আছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলার সময় ভেন্যুতে নিষিদ্ধ খেলোয়াড়কে দিয়ে কোনো প্রচারণা করা যাবে না। ঠিক এ কারণেই কিনা, এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে হতেও পারে। ফুটবল মাঠে হলে হয়তো এখানে কিছু বলার ছিল না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সম্ভবত হবে না (বিজ্ঞাপনী প্রচারণা)।' গত অক্টোবর থেকে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে এক বছরের জন্য যেকোনো ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে সাকিবকে। এমনকি আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলার সময় মাঠে আসার ব্যাপারেও বিধিনিষেধ আছে তাঁর। তবুও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দুদিন সাকিবের অদৃশ্য উপস্থিতি দেখা গেল একটি প্রতিষ্ঠানের সৌজন্যে। আইসিসি কিংবা বিসিবি যাদের আপত্তিই হোক, শেষ পর্যন্ত তাঁর ছবিও দৃশ্যমান করার সুযোগ থাকল না মাঠে