আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম খেলোয়াড় মো. মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিপুনকে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বৃহষ্পতিবার দুপুরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা, নিজের ভবিষ্যত প্রত্যাশা আর দোয়া কামনা করে বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অনু-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার কলারোয়ার কৃতিসন্তান মোঃ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিপুন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরএম সেলিম শাহনেওয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-মৃত্যুঞ্জয়ের বড় ভাই আইটি বিশেষজ্ঞ ইমরুল চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আক্তার হোসেন ও থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ আলহাজ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস। অনুষ্ঠানে কলারোয়ার উদীয়মান খেলোয়াড়রা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সাংবাদিকসহ আরো উপস্থিত ছিলেন চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনি, কয়লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, কলারোয়া নিউজের সম্পাদক প্রভাষক আরিফ মাহমুদ, কলারোয়া পৌর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জুলফিকার আলী, কলারোয়া ক্রিকেট একাডেমির নাজমুল হাসনাইন মিলিত প্রমুখ। ফুলেল শুভেচ্ছার পাশাপাশি সেখানে সংবর্ধিত ব্যক্তিত্বকে ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্রীড়া সংগঠক প্রভাষক রফিকুল ইসলাম। পরে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিপুন তার নিজ গ্রাম উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদীতে যান। বিকেলে সেখানেও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকালে ঢাকা থেকে যশোর বিমান বন্দরে পৌছান মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিপুন। সেখানে কলারোয়া থেকে যাওয়া শতাধিক ক্রিকেটার ও শুভানুধ্যায়ীরা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে কয়েকটি গাড়িবহরে শোভাযাত্রা সহকারে কলারোয়া আসার পথে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালীতে ঝিকরগাছা ক্রিকেট একাডেমির পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। কলারোয়া পৌর শহরের প্রবেশের সময় যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কেরর পাশে ক্রীড়া সংগঠক শিক্ষক শেখ শাহাজাহান আলী শাহীনের নেতৃত্বে কলারোয়া আলিয়া মাদরাসার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয়রা মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিপুনকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন। সেখানেও দেয়া হয় সম্মাননা। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে স্থানীয়রা রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে জাতীয় ক্রিকেটার মৃত্যুঞ্জয়কে অভিবাদন জানান। গাড়ি থেকে নামিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। সকল আয়োজনে নানান বয়সীদের দেয়া ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে আপ্লুত হন অলরাউন্ডার মৃত্যুঞ্জয়। আর উপস্থিতিদের মুহুর্মুহু ছবি তোলার আবদারে নিজেকে ক্ষণিকের জন্য অর্পণ করতে হয় শুভাকাঙ্গীদের কাছে। টিভি কিংবা স্ক্রিনে দেখা এরূপ দৃশ্যপট স্থানীয়রা দেখলো স্বচক্ষে।