বিসিএলের প্রথম রাউন্ডে ছিলেন নিষ্প্রভ। দ্বিতীয় রাউন্ডে দিলেন ছন্দে ফেরার আভাস। চার উইকেট নিয়ে উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে মধ্যাঞ্চলকে এনে দিলেন লিড। মুস্তাফিজুর রহমানের জ¦লে ওঠার দিনে ব্যাট হাতে ব্যর্থ মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৮৭ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে মধ্যাঞ্চল। অধিনায়ক শুভাগত হোম চৌধুরী ২৮ রানে ব্যাট করছেন। ১৯১ রানে এগিয়ে আছে আগের ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারা দলটি। টেস্ট খেলতে হলে বোলিংয়ে অনেক উন্নতি করতে হবে মুস্তাফিজকে। বিশেষ করে ডানহাতি ব্যাটসম্যানের জন্য বল ভেতরে ঢোকানো শিখতে হবে বাঁহাতি এই পেসারকে। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে আরও শাণিত করার কাজটি করে যাচ্ছেন এই তরুণ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে ৬৮ রানে নিয়েছেন চার উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে অষ্টমবারের মতো পেলেন চার উইকেট। নিজেকে ঝালাই করে নেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি মুশফিক। সাবধানী ব্যাটিংয়ের পরও আউট হন মাত্র ২ রানে। ২৬ বল খেলা এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে ফেরান মুস্তাফিজ। টিকতে পারেননি অধিনায়ক নাঈম ইসলামও। ফেরেন ২২ রানে। লোয়ার অর্ডারকে টিকতে দেননি মুস্তাফিজ। তার ছোবল এড়িয়ে দলকে টানেন আরিফুল হক। ফিফটিতে আশা জাগান দলকে লিড এনে দেওয়ার। তাকে ফিরিয়েই উত্তরাঞ্চলকে ১৬৬ রানে গুটিয়ে দেন আরাফাত সানি। ১০ রানে ২ উইকেট নেন বাঁহাতি এই স্পিনার। ৪ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা মধ্যাঞ্চল হোঁচট খায় শুরুতেই। আবারও শূন্য রানে আউট হন তরুণ ওপেনার নাঈম শেখ। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মার্শাল আইয়ুব ও রকিবুল হাসানও পারেননি দলকে টানতে। ৫০ রানেই প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় মধ্যাঞ্চল। প্রতিরোধ গড়েন আবদুল মজিদ ও তাইবুর রহমান। তাদের ৮৯ রানের জুটি ভাঙ্গেন আরিফুল, ফেরান ৪৭ রান করা তাইবুরকে। ১২৬ বলে ৬৯ রান করা মজিদকে থামান তাসকিন আহমেদ। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পাওয়া ডানহাতি এই পেসার এরইমধ্যে তুলে নিয়েছেন দুই উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
মধ্যাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৪৮.৫ ওভারে ১৭০
উত্তরাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৬৩.৪ ওভারে ১৬৬ (আগের দিন ৮৯/৩) (নাঈম ২২, মুশফিক ২, তানবীর ৫, আরিফুল ৫০, এনামুল জুনিয়র ৬, সুমন ০, তাসকিন ০, সাকিল ১*; মুস্তাফিজ ২৩-৪-৬৮-৪, শহিদুল ১৮-৭-৪৯-১, মুকিদুল ৯-২-৩২-১, সানি ৮.৪-২-১০-২, শুভাগত ৫-৪-১-১)
মধ্যাঞ্চল ২য় ইনিংসঃ ৫১.৩ ওভারে ১৮৭/৫ (নাঈম ০, মার্শাল ১১, রকিবুল ২৭, মজিদ ৬৭, তাইবুর ৪৭, শুভাগত ২৮*, জাকের ০*; তাসকিন ১৪-১-৪৬-২, সাকিল ১০.৩-০-৪৮-১, সুমন ৮-১-২২-১, এনামুল জুনিয়র ৫-০-২৫-০, আরিফুল ১০-১-২৭-১, তানবীর ৪-১-১৮-০)