ভুয়া সনদ ও বয়স জালিয়াতি করে গ্রাম পুলিশ হিসেবে চাকুরি অভিযোগ উঠেছে আবদুল কাদের (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অবৈধ নিয়োগ বাতিল ও প্রতারণার শাস্তি চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
লিখিত অভিযোগে উপজেলার চাঁচাই গ্রামের মৃত বদুল্যা মোড়লের ছেলে হামিদুল ইসলাম জানান, গত ০২/০৭/২০১৭ তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক উপজেলার ২নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মহল্লাদার/গ্রামপুলিশ পদে আবেদন করেন চাঁচাই গ্রামের মাদার আলী মোড়লের ছেলে আবদুল কাদের। আবেদনপত্রের সাথে তিনি অষ্টম শ্রেণি পাশের ভুয়া সনদ দাখিল করেছেন। তা ছাড়া তিনি যে জন্মতারিখ উল্লেখ করেছেন সেটিও সঠিক নয়। হামিদুল ইসলাম জানান, ভোটার তালিকায় ওই আবদুল কাদেরের জন্মতারিখ ১২/১০/১৯৮০ খ্রি.। অথচ আবেদনপত্রের সাথে তার দাখিলকৃত জন্মনিবন্ধন সনদে জন্মতারিখ দেখিয়েছেন ০১/০১/১৯৮৯ খ্রি.। তা ছাড়া আবদুল কাদের চাঁচাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভর্তি রেজিস্ট্রারে তার নাম খুঁজে পান নি বলে জানিয়েছেন। এমনকি অষ্টম শ্রেণি পাশের যে সার্টিফিকেট দাখিল করা হয়েছে সেটিও ভূয়া। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সুন্দরবন মাধ্যমিক আবদুল কাদের পড়ালেখা করেছেন এবং ৮ম শ্রেণি উত্তীর্ণ হয়েছেন মর্মে সনদ দেখিয়েছেন যা ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভুয়া হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত আবদুল কাদেরকে বরখাস্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
ভূয়া সার্টিফিকেট ও জন্মতারিখ জালিয়াতির বিষয়ে জানতে চাইলে মহল্লাদার/গ্রামপুলিশ আবদুল কাদের কোনো বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি।