শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টি আপাত স্বস্তি দিয়েছে জেমি ডে’কে। কিন্তু বাংলাদেশ কোচের দুর্ভাবনার শেষ নেই। বুরুন্ডির বিপক্ষে সেমি-ফাইনালের আগে চোট আর কার্ডের ধাক্কায় যে জেরবার অবস্থা! দলে চোট হানা দিয়েছে অনেক আগে থেকে। নাবীব নেওয়াজ জীবন ও টুটুল হোসেন বাদশা অসুস্থতার কারণে ক্যাম্পে যোগ দিতে পারেননি। ক্যাম্প শুরুর পর ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে ছিটকে গেছেন নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার ইয়াসিন খান ও গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেল। গ্রুপ পর্বে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়া অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া খেলতে পারেননি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। বুরুন্ডির বিপক্ষে অবশ্য খেলার আশাবাদ জানিয়েছেন এই মিডফিল্ডার। শ্রীলঙ্কাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচের শেষ দিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন তপু বর্মন। বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে আগামি বৃহস্পতিবার বুরুন্ডির বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে খেলতে পারবেন না এই ডিফেন্ডার। চোট জর্জর দল নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় জেমি ডে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের উদযাপনটাও সাদামাটাভাবে করার কথা জানালেন বাংলাদেশ কোচ। “শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টা সাদামাটাভাবে উদযাপন করেছি আমরা। আমাদের দৃষ্টি এখন পরের ম্যাচের দিকে (বুরুন্ডির বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে)। এ মুহূর্তে আমার সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গা সবাইকে ফিট এবং সুস্থ্যভাবে পাওয়া।” গ্রুপ পর্ব শেষে সবচেয়ে বেশি গোল (৭টি) দেওয়া দল বুরুন্ডি। মরিশাসকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর সিশেলসের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছিল তারা। বুরুন্ডি ম্যাচ নিয়ে তাই শিষ্যদের সতর্কও করে দিচ্ছেন ডে। “শ্রীলঙ্কার ম্যাচের জয় আমাদেরকে আরও আত্মবিশ্বাসী করবে। কেননা, ফিলিস্তিন ম্যাচে আমরা ভালো খেলেছিলাম (কিন্তু হেরেছি) আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো খেলেছি এবং গোল পেয়েছি।” “তবে বুরুন্ডি শারীরিকভাবে শক্তিশালী দল। এ ম্যাচটা আমাদের জন্য খুবই কঠিন অভিজ্ঞতা হবে। বিশেষ করে আমাদের ডিফেন্ডারদের জন্য। কিন্তু আমরা তাদের বিপক্ষে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।”