বাকেরগঞ্জের ফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৫টি দোকানঘর ও ইউনিয়ন যুবলীগ কার্যালয় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানা যায়, ফরিদপুরের ইছাপুরা বটতলা নামক স্থানে জাফর সিকদারের ভাড়াটে মার্কেটে ইউনিয়ন যুবলীগের অফিস ও কাওছার মৃধার মালিকানাধীন পেট্রোল, রাইস মিল, স্বমিলসহ ৫টি দোকান ছিল। শুক্রবার রাত পৌনে ৩ টায় তার দোকান ঘর ও যুবলীগ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেন দুর্বৃত্তরা। দোকান ঘরের পার্শ^বর্তী বাড়ি থেকে কাওছার মৃধা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাহিরে বের হয়ে ডাক চিৎকারও আগুনের লেলিহান শিখা দেখে রাস্তায় বের হয়ে মাদকসেবী রনি মোল্লা, লিয়ন ও সাইফুলকে দৌড় দিয়ে পালাতে দেখেন। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে আগুন নিভানোর শত চেষ্টা করেও কিছুই রক্ষা করতে পারেনি। পেট্রোলের দোকান থাকায় মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখায় ৫টি দোকান ও যুবলীগের কার্যালয়টি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। রাইস মিলস মিল ও পেট্রোল এর দোকান মালিক কাওছার মৃধা সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন আগে এলাকার চিহ্নিত মাদকসেবী রনি মোল্লা, লিয়ন ও সাইফুল গাঁজাসহ পুলিশের হাতে আটক হয়। এতে তারা সন্দেহ করেন কাওসার পুলিশে খবর দিয়ে তাদেরকে ধরিয়ে দিয়েছে। যে কারণে তারা আক্রোশ পোষণ করে কাওছারের ছোট ভাই নাঈম মৃধাকে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০ পেটে ছুরি মারে। এতে অল্পের জন্য সে রক্ষা পায়। ব্যবসায়ী কাওছার মৃধা আরও বলেন, অগ্নিসংযোগকারী এসব মাদকসেবীদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম সরোয়ার সবুজ। তারই আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে এসব মাদকসেবীরা তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।