আশাশুনি উপজেলার খরিয়াটি দাখিল মাদরাসায় অভিভাবকের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ স্পৃহা হয়ে ছেলেকে পাঠার বলি বানালেন মাদরাসার সুপার মাওঃ আঃ আজিজ। এ ব্যাপারে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে ছাত্রকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
খরিয়াটি গ্রামের আঃ রব খাঁর পুত্র সাকিবুল হাসান ওই মাদরাসায় ৫ম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে তার পিতা আঃ রব খাঁ বিজ্ঞ আদালতে দেং ৫৪/১৯ নং মামলা রুজু করেন। মামলায় বিজ্ঞ আদালত নিষেধাজ্ঞার দরখাস্তের পোষনে ১০/০৭/১৯ তাং বিবাদীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো নোটিশ করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নোটিশ অমান্য করে গোপনে গোপনে বোর্ডে কমিটির তালিকা প্রেরন করে কমিটি অনুমোদন করান। এদিকে মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদীর পুত্র সাকিবুলকে সুপার আঃ আজিজ ও শিক্ষক জয়নাল মামলা তুলে না নিলে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবেনা মর্মে হুমকী দিতে থাকেন। কিন্তু অভিভাবক তাদের কথা বিশ^াস করতে পারেননি। যেহেতু তার থেকে রেজিঃ ফিস বাবদ ১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। পুত্র নিয়মিত স্কুলে ক্লাস করছে। এদিকে প্রতিশোধের আগুনে জ¦লতে থাকা সুপার আদর্শ ও দায়িত্ববোধের কথা ভুলে হীনস্বার্থ চরিতার্থ করে সাকিবুলের রেজিস্ট্রেশন করেননি। গত শনিবার সকালে সাকিব অন্যান্যের সাথে স্কুলে গিয়ে দেখে তার প্রবেশপত্র নেই। তাকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হলো তোর পরীক্ষা দেওয়া হবেনা। সাকিব কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে গেলে অভিভাবকরা হতবাক হয়ে যান। তারা বাধ্য হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলির কাছে গেলে তিনি শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ডিসি মহোদয়ের সাথে মোবাইলে কথা বলেন। ডিসি সাহের পরামশর্^ক্রমে ইউএনও মীর আলিফ রেজার তড়িত পদক্ষেপে সাকিব পরীক্ষার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু যাদের কারণে আজকে একটি কোমলমতি শিশুর জীবন থেকে শিক্ষার আলো নিভিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা তাদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থার জন্য অভিভাবক মহলসহ এলাকাবাসী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা বলেন, অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে তদন্তপূর্বক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।