ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর সম্ভাব্য জানমালের ক্ষয়ক্ষতি রক্ষার্থে আশাশুনি উপজেলার সকল এলাকায় ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে আশ্রয় শিবির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩০ সহ¯্রাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভা করে সকল প্রস্তুতি হাতে নিয়েছেন। উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ২৭ টি সাইক্লোন শেল্টার এবং ৮১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা করে সেখানে হুমকী প্রবন এলাকার মানুষকে নিয়ে আসার কাজ চালান হচ্ছে। প্রতাপনগর, শ্রীউলা, আশাশুনি, আনুলিয়া, খাজরা, বুধহাটাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের পাউবো’র বেড়ী বাঁধ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৫ টা) এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ১০ সহ¯্রাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ, সিপিপি সদস্য ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের বিষয় নিয়ে সতর্কতামূলক প্রচার ও মাইকিং করা হচ্ছে। বিভিন্ন মসজিদ থেকেও মাইকে এতদসংক্রান্ত প্রচার দেওয়া হচ্ছে। সিপিপির ১৫১২ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠে নেমেছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান জানান, আশ্রয় কেন্দ্রে সরবরাহের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে ৬০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, শিশুর খাবারের জন্য ২০ হাজার টাকা, গোখাদ্যের জন্য ২০ হাজার টাকা, ত্রান বাবদ ৩৭ মেঃ টন চাউল এবং নগদ ত্রাণ সহায়তার জন্য ৯০ হাজার টাকা উপজেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। এলাকার নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ বেড়েছে এবং থেমে থেমে বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান, ঘুর্ণিঝড়ের হাত থেকে মানুষের জানমালের সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবেলায় সকল প্রকার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষকে নিয়ে আসার জোর তৎপরতা চালান হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতার প্রস্তুতি রয়েছে।